Sunday, 7 March 2021

স্মার্টফোনকে চোরের হাত থেকে সুরক্ষায় জন্য ‘থিফগার্ড’ নামে যুগান্তকারী একটি অ্যাপ চালু করলো দেশীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সফটালজি লিমিটেড

 


বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন?

বর্তমানে আমাদের সকলের হাতেই স্মার্টফোন। আমাদের হাতে থাকায় স্মার্টফোনটি যদি কোন কারণে হারিয়ে যায় বা চুরি হয়ে যায় তবে আমাদের কিছুই করার থাকেনা। হারিয়ে যাওয়া এ স্মার্টফোনটি ফিরে পাওয়া প্রায় অসম্ভবই বটে। বলতে গেলে একেবারেই অসম্ভব।

smartphone

হারিয়ে যাওয়া স্মার্টফোন বা চুরি হয়ে যাওয়া স্মার্টফোন চোরের হাত থেকে সুরক্ষায় ‘থিফগার্ড’ নামে যুগান্তকারী অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ চালু করছে 'সফটালজি লিমিটেড' নামে দেশীয় একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। যে অ্যাপটির সাহায্যে হারিয়ে যাওয়া ডিভাইস শনাক্ত ও পুনরুদ্ধার করা যাবে। এছাড়া অ্যাপটিতে রয়েছে আরও অনেক ফিচার। বৃহষ্পতিবার (১৮ ই ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অ্যাপটি চালু করা হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটি জানায়। বর্তমানে অ্যাপটি আপনারা তাদের ওয়েবসাইটে পেয়ে যাবে। সেখানে তাদের অ্যাপে সম্বন্ধে বিস্তারিত বলা হয়েছে। এছাড়া আজকের এই টিউনে এই অ্যাপটির সমস্ত ফিচার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। জানতে হলে সম্পূর্ণ টিউনটি মনোযোগ দিয়ে পড়তে থাকুন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোবাইল ফোন চুরি হলে চোরের ছবি ও লোকেশন জানতে সহায়তা করবে অ্যাপটি। চোর চাইলেও মোবাইলটি বন্ধ করতে পারবে না। এছাড়া চোর যদি মোবাইলের লক খোলার জন্য সেটি কম্পিউটারের সঙ্গে কানেক্ট করার চেষ্টা করে, সেটিও সে করতে পারবে না। মজার ব্যাপার হলো, চোর যদি মোবাইলের সিম কার্ডটি পাল্টে ফেলে তবে নতুন সিমের নাম্বার চলে যাবে আসল মোবাইলের মালিকের কাছে। প্রত্যেকটি চোরই কিন্তু মোবাইল চুরি করে সিম কার্ডটি পাল্টে ফেলে, এক্ষেত্রে মোবাইল চুরি করে সিম কার্ড পরিবর্তন করেও পার পাবে না। সে যে কোন সময় ধরা পড়ে যাবে।

এছাড়া শুধু চুরিই নয়, অনুমতি ব্যতীত কেউই কোন ডাটা এক্সেস করতে পারবে না এ অ্যাপটি মোবাইলে থাকলে। যদি কোনো কারণে মোবাইলটি চুরি হয়ে যায় তবে অন্য একটি কম্পিউটার বা স্মার্টফোন থেকে তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করলেই চুরি যাওয়া মোবাইল এর ক্যামেরা চালু হয়ে যাবে, এবং সেইসঙ্গে সেই ব্যবহারকারী ছবি পাঠাতে থাকবে আসল মালিক এর ইমেইল। এছাড়াও যদি সে সময় মোবাইলের জিপিএস অন করা থাকে তবে ফোনটির লোকেশনও দেখা যাবে। এছাড়া মোবাইলটির আসল মালিক চাইলে সেখান থেকে তার মোবাইলে নতুন একটি লক দিয়ে দিতে পারবে।

অ্যাপটিতে যে সব ফিচার রয়েছে

অ্যাপটিতে যে সব ফিচার রয়েছে সেগুলো সবই ব্যবহারকারীর মন জয় করবে। তবে চলুন দেখে নেয়া যাক অ্যাপটিতে কি কি ফিচার রয়েছে।

ইনট্রুডার সেলফি

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চুরি যাওয়া মোবাইল কে আনলক করার জন্য চোর চেষ্টা করে থাকে। এ সময় যদি মোবাইলে পিন, প্যার্টান, পাসওয়ার্ড অথবা ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে মোবাইল টি খোলার চেষ্টা করে তবে তাৎক্ষণিক চোরের ছবি এবং অবস্থান আপনার ইমেইল আসবে। এছাড়া একাউন্টে যে নাম্বারটি দেওয়া রয়েছিল সে নাম্বারটিতে ও এসএমএসের মাধ্যমে চোরের লোকেশন জানাবে। ফোনটির সঠিক লোকেশন জানার জন্য অবশ্যই ফোনের জিপিএস সেসময় অন থাকতে হবে।

স্টপ শাট- ডাউন

এই ফিচারটির মাধ্যমে আপনার অনুমতি ছাড়া আপনার মোবাইলটি অন্য কেউ বন্ধ করতে পারবে না। যেটি আপনার মোবাইলকে চুরি যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে এবং আপনার মোবাইলের ডেটা সংরক্ষণ করতে সহায়ক হবে। চোর কিন্তু সবসময় মোবাইল চুরি করে বন্ধ করার চেষ্টা করে। তবে আপনার ফোনে যদি এই অ্যাপটি থাকে, তাহলে আপনি আগে থেকেই মোবাইল বন্ধ না হওয়ার অপশনটি সেট করে রাখতে পারবেন। যার ফলে চোরটি মোবাইল নিয়ে বন্ধ করতে পারবে না। আর চোরটি যদি আপনার আশেপাশের হয় তবে সে খুব সহজেই ধরা পড়ে যাবে। যে কারণে এই ফিচারটি অনেক সহায়ক।

স্টপ পিসি কানেকশন

অনেক সময় আপনার মোবাইলটিকে নিয়ে পিসির সঙ্গে কেউ কানেক্ট করতে পারে। যার মাধ্যমে আপনার ডিভাইসের অনেক ডেটা স্থানান্তর করা যেতে পারে। 'স্টপ পিসি কানেকশন' ফিচারটির মাধ্যমে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য অথবা গুরুত্বপূর্ণ ফাইল অন্যজনার হাত থেকে বেঁচে যেতে পারে। যদি কেউ আপনার ফোনটি ইউএসবি ক্যাবলের মাধ্যমে পিসি (কম্পিউটার) এর সাথে সংযুক্ত করে, তখন আপনার মোবাইলটি অটোমেটিক লক হয়ে যাবে। মোবাইলটিতে সঠিক প্যাটার্ন/পিন/পাসওয়ার্ড প্রবেশ না করা পর্যন্ত মোবাইলে অ্যালার্ম বাজতে থাকবে। এ সময় আপনি যদি আসে পাশে থাকেন তবে আপনি এসে মোবাইলটি তাদের কাছ থেকে নিতে পারবেন। এই ফিচারটি আপনার ফোনকে চুরি থেকে বাঁচাতে এবং আপনার ফোনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেহাল হওয়া থেকে বাঁচাতে সহায়ক হবে।

পকেট থেফট

এই ফিচারটির মাধ্যমে আপনার ফোনটি আপনার পকেট থেকে বের করা হলে অথবা কোন কারনে বের হয়ে গেলে আপনার সেট করা বিকল্প নম্বরে একটি নোটিফিকেশন যাবে। এছাড়া সে সময়ে ফিচারটি চালু থাকলে এটি আপনাকে তৎক্ষণাৎ অ্যালার্ম বাজিয়েও সতর্ক করবে।

সাইলেন্ট ক্যামেরা

এই ফিচারটি ব্যবহার করে যেকোনও ডিভাইস থেকে আপনার ফোনে এসএমএস করে আপনার সংরক্ষিত পাসওয়ার্ড প্রেরণ করলে আপনার হারিয়ে যাওয়া ডিভাইসটি এসএমএস পাওয়ার পরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সামনের এবং পিছনের ক্যামেরা ব্যবহার করে চোরের ছবি তুলে আপনার ইমেইলে এবং সেই নাম্বারটিতে এসএমএস প্রেরণ করবে। যে ছবি গুলো আপনি ওয়েবে অ্যাডমিনের বিভাগের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন।

রিং সেটআপ

এই ফিচারটির কারণে আপনার ফোনটি সে সময়ে সাইলেন্ট বা ভাইব্রেটেড মুডে থাকলেও রিং বেজে উঠবে। যেমনটি গুগলের 'ফাইন্ড মাই ডিভাইস' ফিচারটির মাধ্যমে হয়। আপনার অজান্তেই যদি আপনার বাড়িতে ফোনটি কোন জায়গায় রেখে দেন, তবে এই ফিচারটির মাধ্যমে অন্য মোবাইল থেকে ডিভাইসটিকে অনুসন্ধান করতে পারেন। সেসময় আপনার ফোনটি সাইলেন্ট মুডে থাকলেও রিংটোন বেজে উঠবে। ফলে আপনি খুব সহজেই আপনার ফোনটি খুঁজে পেতে পারবেন।

জিপিএস সেটআপ

জিপিএস ফিচার এর মাধ্যমে আপনার ফোনের অবস্থান আপনাকে মোবাইল টেক্সটিং ব্যবহার করে জানাবে। এই মুহূর্তে আপনার ফোনটি কোথায় রয়েছে সেটি জানতে পারবেন এই ফিচারটির মাধ্যমে। তবে এজন্য অবশ্যই মোবাইলটিতে সেসময় জিপিএস/লোকেশন চালু থাকতে হবে।

মুভমেন্ট এলার্ট

'মুভমেন্ট এলার্ট' ফিচারটির মাধ্যমে আপনার ফোনটি এর অবস্থান সম্পর্কে জানা যাবে। আপনার ফোনটি যদি একটি জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরানো হয় তবে তখনই আপনাকে সতর্ক করবে। আপনার মোবাইলটি এক অবস্থান থেকে অন্য অবস্থানে সরালে সেই সতর্কবার্তা টি অ্যাপ্লিকেশনটি জানাবে।

আনপ্লাগ চার্জার এলার্ট

এই ফিচারটির মাধ্যমে চার্জে রাখা অবস্থায় কেউ যদি আপনার ফোনটি চার্জ থেকে বিচ্ছিন্ন করে তখন অ্যাপ্লিকেশনটি আপনাকে এলার্ম দিয়ে সতর্ক করবে। অর্থাৎ সে সময় আপনার ফোনে নোটিফিকেশন অথবা রিং বেজে উঠবে। তাহলে আপনি খুব সহজেই জানতে পারবেন যে, সে সময় আপনার ফোনটি চার্জ থেকে ডিসকানেক্ট করা হয়েছে।

প্যাসিভ লোকেশন & ট্র্যাক ইওর ফোন

এই অপশনটি সেট করে আপনি যদি আপনার ফোনটি কোথায় হারিয়ে যান অথবা কোথাও ভুলে রেখে দেন, তবে আপনি এমনতো অবস্থায় আপনার ফোনটি খুব সহজেই শনাক্ত করতে পারবেন। এটি সেট করা থাকলে অ্যাপ্লিকেশনটিতে যে নাম্বারটি দ্বারা নিবন্ধন করা থাকবে, সে নাম্বারে প্রতি ৩০ মিনিট পরপর মোবাইলটির বর্তমান লোকেশন এসএমএসের মাধ্যমে আসতে থাকবে। আপনি ওয়েব এডমিন এর মাধ্যমে ফোনটির বর্তমান লোকেশন জেনে নিতে পারবেন।

সিম কার্ড সিকিউরিটি

এই ফিচারটি মোবাইলের সিম সুরক্ষার প্রমাণীকরণের জন্য। যদি কোন ব্যক্তি আপনার ফোন থেকে সিম কার্ডটি বের করে তবে অ্যাপটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোনটি লক করে অ্যালার্ম বাজানো শুরু করবে। এবং সেইসঙ্গে অ্যাপটি নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে এসএমএস প্রেরণ করবে। এছাড়া অ্যাপটি নতুন সিমটিও ট্র্যাক করে আপনার ইমেইলে নতুন সিমের পুরো তথ্য প্রেরণ করবে। তবে এসব সুবিধা গুলো পেতে হলে অবশ্যই সেই মোবাইলে জিপিএস অন থাকতে হবে।

লক ডিভাইস

যদি কোন কারণে আপনার ডিভাইসটি হারিয়ে যায় তবে যেকোনও ডিভাইস থেকে আপনার ফোনে এসএমএস করে আপনার সংরক্ষিত পাসওয়ার্ড প্রেরণ করে ডিভাইস টি লক করে দেওয়া যাবে। আপনার সেই ডিভাইসটি এসএমএস গ্রহণ করার পরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার ডিভাইসের স্ক্রিনটি লক হয়ে যাবে। ওয়েব অ্যাডমিন বিভাগের মাধ্যমেও আপনি স্ক্রিনটি লক করতে পারবেন।

এই অ্যাপটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যে, এটি বাজারের সেরা অ্যান্টি থেফ্ট অ্যাপ। এই অ্যাপটি এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ ফিচার দিয়ে সাজানো হয়েছে যাতে করে আপনার মোবাইলটিকে তৃতীয় চোখের মতো নজরবন্দি করে রাখতে পারবেন। এত সব ফিচার নিয়ে সদ্য উম্মুক্ত হওয়া অ্যাপটি সম্পর্কে সফটালজি লিমিটেড এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে দ্রুত গতিতে স্মার্টফোনের ব্যবহার বাড়ছে।

আপনাদের ফোনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে। প্রিয় এই স্মার্টফোনে অতিপ্রয়োজনীয় অনেক তথ্য, ফোন নাম্বার, ছবি সহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে। তবে যদি কোন কারণে সেই ফোনটি হারিয়ে যায় অথবা চুরি হয়ে যায় তাহলে সেসব তথ্য ফিরে পাওয়া অসম্ভবই হয়ে ওঠে। সেসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়ে ওঠে অনেক কঠিন। এছাড়া তিনি বলেন, আমাদের অ্যাপটি ব্যবহার করলে আগামীতে নির্ভয় ফোন ব্যবহার করা যাবে এবং সেইসঙ্গে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ফোন নাম্বার এবং আপনার প্রিয় ফোনটি ও সুরক্ষিত থাকবে।

তবে এই আপনি সব এন্ড্রয়েড মোবাইলে সাপোর্ট করবে না। অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড-৭ থেকে যেকোনো ভার্সনে ব্যবহার করা যাবে। অর্থাৎ অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড ৭ এর উপরের ভার্সনগুলোতে রান করানো যাবে। আপাতত দুই বছর এবং এক বছর মেয়াদের এ অ্যাপটি সারাদেশের মোবাইলের দোকানে পাওয়া যাচ্ছে। তবে এই অ্যাপটি সম্পর্কে আপনি আরও বিস্তারিত জানার জন্য তাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে পারেন। সেখানে আপনারা বিস্তারিত তথ্য পেয়ে যাবেন।

বন্ধুরা আপনার-আমাদের অনেক তথ্যই আমাদের ফোনে থাকে। একটি ফোনের মূল্যের চাইতে সে সব তথ্যের মূল্য অনেক বেশি হয়ে যায়। তাই হারিয়ে যাওয়া ফোন টি উদ্ধার এবং নিজের কাছে থাকা ফোনটিকে সুরক্ষার জন্য এই অ্যাপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি। আপনাদের কাছে যদি অ্যাপটির ফিচার ভালো লেগে থাকে তবে আপনি ও এটি ব্যবহার করতে পারেন। তাদের ওয়েবসাইটে এ সম্পর্কে বিস্তারিত বলা রয়েছে। সেখানে আপনি কাস্টমার সাপোর্ট নেওয়ার জন্য নাম্বার পাবেন। কোন সাহায্যের জন্য তাদের সঙ্গে আপনি যোগাযোগ করতে পারেন।

নিত্যনতুন আরো নতুন কোন টিউন নিয়ে পরবর্তীতে হাজির হব ইনশাআল্লাহ। আজ তবে এ পর্যন্তই। আসসালামু আলাইকুম।

মুড সুইং কেন হয় এবং প্রতিকার

 

 

মুহূর্তে মন পাল্টানোই হলো মুড সুইং। বিশেষ করে মেয়েদের এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এটি মুলত হরমোনাল ইমব্যালান্স, মেসট্রুয়াল সাইকেল, বয়ঃসন্ধিতে, গর্ভাবস্থায় দেখা দেয়।

আগের টিউনে বিস্তারিত প্রকাশ হয় নি। তাই আবার এই বিষয়ে আলোকপাত করছি। মুড সুইং সমস্যার কারণে কিছু মেয়ে বা ছেলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থেকে পিছিয়ে পড়ে। এর ফলে শুধু মানসিক প্রব্লেমই হয় তা নয়। শারীরিক ভাবে ও অনেক প্রব্লেম হয়। মুড সুইং এর সময় মানুষ ওভার রিয়েক্ট করে৷ তাদের অভ্যাসের পরিবর্তন হয়। একটুতেই রেগে যায়। কারণে অকারণে মন খারাপ করে। অল্প তেই হতাশ হয়। এক মিনিটে মন খারাপ আবার খুশি হয়ে যাওয়া লক্ষণ দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। মুড সুইং হলে কিছু করনীয় আছে। যার মাধ্যমে আপনি মানসিক ভাবে সুস্থ থাকতে পারবেন।

১.ত্বকের যত্ন নেওয়া : ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় সব টুকু সময় নিজের জন্য ব্যয় করবেন। বাসায় যা আছে, তাই দিয়ে শুরু করুন যত্ন নেওয়া। এতে যেমন আরাম বোধ করবেন। আপনার আত্নবিশ্বাস বাড়িয়ে আপনার মুড সুইং কমিয়ে দিবে।

২.গান করা ঃঃ গুন গুন করে বা জোরে আপনার কোন পছন্দের গান করুন। গান অনেক সময় মন খারাপ খুব সহজেই দূর করে দেয়৷ বিভিন্ন সমীক্ষায় পাওয়া গেছে গান হতাশা, চিন্তা দূর করে।

৩.ডায়েরি লেখা: নিজের মনের কষ্ট গুলো লিখে ফেলুন কাগজে। যা মনে আসে তাই লিখুন। এতে আপনার চাপা কষ্ট দূর হবে৷

৪.হাটাহাটি করা :চুপ করে থাকা মানুষ এর হতাশা কে দশ গুন বাড়িয়ে দেয়৷ যখন একা থাকবেন চারদিকে তাকান কি কি আছে খেয়াল করুন। বেশি হাটাচলা আপনার মন কে ফুরফুরে করবে। মস্তিষ্কের অপ্রয়োজনীয় চিন্তা দূর করবে। মস্তিষ্কে স্নায়ুকোষে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সাপ্লাই হলে আপনার মনস্থির হবে।

৫. ভিজুয়ালাইজেশন : সব কাজের আগে ইতিবাচক চিন্তা করুন। আগে থেকে নেতিবাচক চিন্তা আপনার সফলতা অর্জনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলে। ইতিবাচক কোন কিছু শুনুন বা পড়ুন।

৬.শেয়ারিং :চেনা মানুষ বা অচেনা মানুষ কাউকে বাছাই করুন আপনার কথা শেয়ার করার জন্য। তাকে শেয়ার করলে হয়ত আপনার সমস্যা সমাধান না হলেও মন হালকা হবে।

মুড সুইং এর কারণে যেসব সমস্যা দেখা দেয় :

১.বিভ্রান্তি
২.অল্পতেই বিরক্তি
৩.অল্পেই ক্লান্তি
৪. হতাশা বা মন খারাপ
৫.অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা
৬. আচরণে অসমঞ্জস্যতা
দীর্ঘদিন এই সব লক্ষ্মণ কারো মধ্যে দেখা দিলে বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নেওয়া উচি৷ শুধু মেয়েদের ক্ষেত্রে নয় হরমোন এর প্রভাবে ছেলেদের মধ্যে এসব সমস্যা দেখা দেয়৷ ভালো ঘুম যে কোন মানসিক ও শারীরিক অবসাদ দুর করতে সাহায্য করে। তাই অকারণে রাত না জেগে ঘুমানো উচিত। অনেক সময় ঘুম না হলে মানুষের মেজাজ বিগড়ে যায়। যা পরবর্তীতে খারাপ দিকে মোড় নেয়। এত টাই খারাপ একটা মানুষ কে অসুস্থ মন থেকে বের হয়ে সুস্থ হতে বেশ সময় লাগে।
স্বাস্থ্য কর খাবার সব সময়ই জরুরি। এতে শরীর যেমন ভালো থাকে। তেমনি মন ভালো থাকে। ভালো জীবনযাপন মানুষ কে ভালো রাখে। ভালো জীবনযাপনের একটা অংশ হলো পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা।

আপনি যখন বুঝতে পারবেন আপনার প্রিয় কোন মানুষ মুড সুইং ভুগছে৷ আপনি তার সাথে খারাপ ব্যবহার না করে, তাকে সময় দিন৷ বোঝার চেষ্টা করুন। সে কি চায় এবং বলতে চায়। সে ওভার রিয়েক্ট করলে আপনি ও তার সাথে তাল মিলিয়ে ওয়ার রিয়েক্ট করবেন।

মানুষের মস্তিষ্কে সেরোটোনিন নামে এক ধরনের রাসায়নিক রয়েছে, যা মেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে৷ কলা, মুরগির মাংস, শসা, অ্যাভোকাডো এসব খাবার সেরোটোনিন ক্ষরনে সাহায্য করে।

ওজন বেড়ে যায় এমন তেল জাতীয় খাবার না খাওয়া ভালো। অবসাদ মানুষের কার্য ক্ষমতা কমিয়ে দেয়৷ দিন শেষে মানুষকে কাজ করেই জীবন অতিবাহিত করতে হয়। তাই মন ভালো রাখা খুবই জরুরি। মন ভালো থাকলে কাজে ও মন বসে ভালো। প্রিয় মানুষ গুলোর মুড সুইং এ সংবেদনশীল হোন। তাদের সমস্যা থেকে বের হতে সাহায্য করুন৷

Google PlayStore এর এই সেটিংসটি বন্ধ করলে মোবাইলে অতিরিক্ত এমবি কাটা বন্ধ হবেই

 

কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো আছেন। আজকের টিউনে আপনাদের সাথে প্লেস্টোরের একটি সেটিংস দেখাবো। আশা করি এই সেটিংস টি অনেকের কাজে আসবে।

আমাদের সকলের মোবাইলে প্লে স্টোর অ্যাপ টি রয়েছে। সবাই প্লে স্টোরের সম্পর্কে জানে। প্লে স্টোর থেকে আমরা বিভিন্ন অ্যাপস ফ্রিতে বা কিনে ব্যবহার করতে পারি। আবার এই সব অ্যাপগুলো আমরা প্লে স্টোর থেকে আপডেট করে দিতে পারি। প্লে স্টোরে একটি সেটিংস আছে যেটি অন করা থাকে আপনার ফোনের অ্যাপস গুলো অটোমেটিক আপডেট হয়ে যাবে।

আমার আজকের টিউনে আপনাকে দেখাবো কিভাবে আপনি প্লে স্টোরে অটো আপডেট বন্ধ করে দিবেন। এই অটো আপডেট বন্ধ করার একটি কারণ আছে। এই সেটিংস টা অন করা থাকলে আমাদের ফোনে অ্যাপ গুলো অটোমেটিক আপডেট হয়ে যাবে। যা কেননা আমাদের ফোন থেকে অনেক এমবি কেটে দিবে। যাদের ফোনে এমবি কম থাকে তাদের জন্য এটি অনেক সমস্যা। যারা প্লে স্টোরে এই সেটিংস টি অন রাখতে চান না অর্থাৎ বন্ধ করে দিতে চান তারা এই পোস্টটি দেখতে পারেন।

এর জন্য প্রথমে আপনাকে আপনার ফোন থেকে প্লে স্টোর অ্যাপ টি ওপেন করে নিতে হবে। প্লে স্টোর অ্যাপ ওপেন করার পর উপরে বাম পাশের তিনটে দাগ দেখুন। তিনটি দাগের উপর ক্লিক করুন। এখান থেকে সেটিংস অপশনে যান।
এমবি কম কাটার উপায়
সেটিংস এ ক্লিক করলে এখানে আরো অনেকগুলো অপশন দেখতে পাবেন। এখান থেকে অটো আপডেট অ্যাপ অপশনটিতে ঢুকুন। এখানে আপনাকে সবার শেষে যে অপশনটা Don't Auto Upadate Apps আছে এটা সিলেক্ট করে দিন।
play store auto update off
 

ব্যাস আপনার কাজ শেষ। এখন থেকে আপনার ফোনের অ্যাপস গুলো অটোমেটিক আপডেট হবে না। যার ফলে আপনার ফোনে অতিরিক্ত এমবি কাটা বন্ধ হবে।

এখানে আপনাকে একটি কথা বলে রাখি, আপনার ফোনে যদি যথেষ্ট পরিমান ইন্টারনেট ডাটা থাকে অথবা কোথাও ওয়াইফাই কানেক্ট করার সুযোগ থাকে তাহলে এই আপডেট অপশনটি বন্ধ করবেন না। কারণ অ্যাপসের আপডেটের সাথে সাথে নতুন কিছু ফিচার যোগ হয়। আপনার অনেক কাজে আসতে পারে। কিন্তু আপনি যদি আপডেট না করেন তাহলে এই ফিচারগুলো আপনি কত ভোগ করতে পারবেন না। তবে আপনি যদি আপডেট বন্ধ করে রাখেন তাতেও কোনো সমস্যা হবে না। শুধুমাত্র আপনি অ্যাপস এর নতুন ফিচার গুলো ব্যবহার করতে পারবেন না।

আমার পোস্টটি যদি আপনার ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই সবার সাথে শেয়ার করবেন। কোন সমস্যা থাকলে নিচে টিউমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন।

আপনি ঘুমিয়ে থাকুন মোবাইল নিজেই কথা বলবে

 

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম, বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশাকরি মহান প্রতিপালকের দয়ায় ও মায়ায় সবাই নিজ নিজ স্থানে ভালো ও সুস্থ আছেন। আর সবাইকে আরও একটু হাসিখুশি রাখতে, নতুন আরেকটি মজার টপিক নিয়ে চলে এসেছি আপনাদের মাঝে। বন্ধুরা আমাদের মাঝে প্রায় সবাই কমবেশি Facebook, Whatsapp ব্যবহার করি। এখন আপনাদের মজার আরেকটি কথা বলি। আপনি ঘুমিয়ে পড়লেও আপনার মোবাইল অটো সবার সাথে কথা বলবে। এখন আপনাদের মোবাইলে কেউ যদি Hi মেসেজ করে তাহলে সেটি আমরা দেখব তারপরে রিপ্লাই করব।

কিন্তু আপনি Whatsapp এ এমন সিস্টেম করতে পারেন যদি আপনাকে কেউ Hi মেসেজ করে তাহলে সাথে সাথে তার মোবাইলে অটো Hello চলে যাবে। Good Night মেসেজ করলে Good night চলে যাবে। Good Morning মেসেজ করলে Good Morning চলে যাবে। তা বন্ধুরা এই সেটিংস কিভাবে করবেন তা দেখাব আজকের এই টিউনে। তাহলে আর দেরি না করে চলুন মূল টপিকে চলে যাই।

বন্ধুরা আপনার মোবাইলে অটো রিপ্লাই সেটিংস করার জন্য আপনাকে যা যা করতে হবে।

১/ আপনাকে চলে যেতে হবে আপনার ফোনের গুগল প্লে-স্টোরে।


২/প্লে-স্টোরে গিয়ে আপনাকে সার্চ করতে হবে AutoResponder লিখে।


৩/ এই সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে, ওপেন করে নিবেন।


৪/ ওপেন হয়ে গেলে Get Started এ ক্লিক করুন।


৫/ তারপরে Permission চাইবে, এখানে ক্লিক করে অন করে দিন। তারপরে বেক হয়ে আসবেন।


৬/ আপনার সামনে এরকম একটি ইন্টারফ্রেশ ওপেন হবে। এখানে প্লাস বার্টনে ক্লিক করুন।


৭/ তারপরে এই All এ ক্লিক করে দিবেন।


৮/ এখন আপনি একটু নিছে আসার পর Reply message পাবেন। এখানে Hi লিখে দিবেন।


৯/ তারপরে আরো একটু নিছে আসার পরে। এখানে আপনি রিপ্লাই কি দিতে চাচ্ছেন তা লিখে রাইট বার্টনে ক্লিক করে দিবেন।


১০/ তারপরে আপনার সামনে একটি পেজ ওপেন হবে। এই পেজের নিচে প্লাস বার্টনে ক্লিক করবেন।


১১/ আবারও All এ ক্লিক করবেন।


১২/ তারপরে আবারও Reply message এ Hi লিখে দিয়ে রাইট বার্টনে ক্লিক করে দিবেন।


 

বন্ধুরা এখন আপনার কাজ শেষ। আর যদি Good morning, Good night সেট করতে চান তাহলে আগের নিয়ম অনুযায়ী সেট করে নিবেন। বন্ধুরা এই ছিলো আজকের টপিক। আশাকরি সবার কাছে ভালো লেগেছে। আজকের মতো এখানেই বিদায় নিচ্ছি। দেখা হবে আবারও নতুন কোন এক বিষয় নিয়ে। সবাই ভালো ও সুস্থ থাকুন, আল্লাহ হাফেজ।

শুধু নাম্বার দিয়ে ফটো নিয়ে আসুন নিজের মোবাইলে

 

আশাকরি মহান প্রতিপালকের দয়ায় ও মায়ায় সবাই নিজ নিজ স্থানে ভালো ও সুস্থ আছেন। বন্ধুরা আজকের এই টিউনে কথা বলব কিভাবে আপনি যে কারো মোবাইল নাম্বার দিয়ে তার ছবি নিয়ে আশাকরি আজকের এই টিউন খুব গুরত্বপূর্ণ। যে কারো নাম্বার দিয়ে আপনার মোবাইলে তার ছবি সংগ্রহ করার জন্য আপনাকে একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে হবে। তাহলে চলুন আর দেরি না করে এবার মূল টপিকে চলে যাই।

বন্ধুরা এই কাজটি করার জন্য আপনাকে যা করতে হবে।

১/ আপনাকে আপনার ফোনের প্লে-স্টোরে চলে যেতে হবে।


২/ সার্চ করতে হবে Caller ID লিখে।


৩/ এই সফটওয়্যার ইন্সটল করে ওপেন করে নিবেন।

৪/ ওপেন করার সাথে সাথে এরকম একটি অপশন চলে আসবে। Get Started এ ক্লিক করবেন।


৫/ এখানে Permission চাইবে Allow করে দিবেন। চালু করার পর Continue এ ক্লিক করে দিবেন।


৬/ তারপরে আবারও Get Started অপশন চলে আসবে। এখানে ক্লিক করে দিবেন।


৭/ এখানে আপনার মোবাইল নাম্বার দিতে হবে। মনে রাখবেন আপনার মোবাইলে যে সিম কার্ড আছে সেই সিম কার্ডের নাম্বার দিতে হবে। এই যে দ্বিতীয় ঘরে লেখা আছে Phone number এখানে আপনার মোবাইল নাম্বার দিবেন। মোবাইল নাম্বার দেওয়ার পরে Connect এ ক্লিক করে দিবেন।


৮/ এই যে This is me এখানে ক্লিক করে দিবেন।


৯/ তারপরে আপনার সামনে সবার ফটো চলে আসবে এইরকম ভাবে।

১০/ এখানে সার্চ করবে যে নাম্বার দিয়ে তার ছবি আনতে চাচ্ছেন। তার নাম্বার দিয়ে।

১১/ আপনি যদি আরো ছবি আনতে চান তাহলে এখানে ক্লিক করবেন। মানি তার ছবির উপর ক্লিক করবেন।


১২/ ক্লিক করার পরে এই রকম চলে আসবে। এখন আপনি যদি তার ফেসবুকে যেতে চান তাহলে ফেসবুকের উপরে ক্লিক করবেন। আর ছবি আনতে চাইলে মানুষের মতো যে দেখা যাচ্ছে এখানে ক্লিক করবেন।


 

বন্ধুরা মনে রাখবেন এই কাজ করার সময় অবশ্যই আপনার ফোনের ইন্টারনেট চালু রাখতে হবে। এই কাজ করার মানি এই না যে আপনি তার ফোনের গ্যালারিতে রাখা সব ছবি নিয়ে আসবেন। এটা কোন ভাবেই সম্ভব না।
তাহলে চলুন যেনে নেই এটি কিভাবে কাজ করে।
বন্ধুরা আপনি যার নাম্বার দিয়ে সার্চ করবেন। তার ফোনে ফেসবুকে, ইন্সটাগ্রামে রাখা সব ছবি আনতে পারবেন। বন্ধুরা আশাকরি সবার ভালো লেগেছে। বন্ধুরা আজকের মতো এখানেই বিদায় নিচ্ছি। ভালো থাকবেন সবাই, খোদা হাফেজ।

প্লে স্টোরের স্বাস্থ্য বিষয়ক সবথেক ভালো অ্যাপস “ছবিসহ স্বাস্থ্য টিপস” ডাউনলোড করুন

 


ছবি সহ স্বাস্থ্য পরামর্শ বা হেলথ গাইড ও তথ্য (sastho kotha) নিয়ে ডেভেলপার টীম Wikibdapps এর এই অ্যাপটি আপনাদের স্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যার সমাধান জানতে সহায়তা করবে। এই অ্যাপটির ইমেজ বা ছবি সমূহ ফেসবুকে বা মেসেঞ্জার-এ শেয়ার করতে পারবেন।

ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম শরীরের জন্য দুইটি অত্যাবশ্যক উপাদান। ভিটামিনের অভাবে নানা রকম ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ হয়ে থাকে। ভিটামিন A to Z বা এ, বি, ডি, ই, সি ও প্রোটিন আমাদের প্রতিদিনের পুষ্টিকর খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত। হাড়ের সমস্যা ও চিকিৎসায় আমাদের ক্যালসিয়াম খাবার খেতে হবে।

প্রতিদিন আমাদের ৩০ মিনিট শরীরচর্চা (জিম) বা যোগ ব্যায়াম করার নিয়ম মেনে চললে শরীর সুস্থ থাকে। এতে করে ডায়াবেটিস, কিডনি, স্ট্রোক, বাতের ব্যথা, হাই (উচ্চ রক্তচাপ) ও লো প্রেসার ইত্যাদি রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

আমাদের দেশে ঠান্ডা কাশি ও জ্বর সাধারন একটি রোগ। অনেকের সাইনোসাইটিস বা সাইনাস ও টনসিলের প্রদাহ হয়ে থাকে। আমাদের এই এপটিতে হাঁপানি বা শ্বাস কষ্ট, নাক, কান ও গলার সমস্যা ও সমাধান পেয়ে যাবেন সহজেই।

দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতা মানুষের ইনসমনিয়া বা ঘুম না হওয়ার একটি কারণ। এতে করে কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস্ট্রিক বা পেটে গ্যাস বা এসিডিটি, পুষ্টিহীনতা, বুক জ্বালাপোড়া, বদহজম ও মাথা ব্যাথার মত রোগ হয়ে থাকে। এই অ্যাপটিতে এই সব রোগের সমাধানও পেয়ে যাবেন।

হাজার বছর থেকে ভেষজ ও হার্বাল চিকিৎসা চলে আসছে। যেখানে এলোপ্যাথিক ও হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও চিকিৎসা সুষ্ঠভাবে কাজ করে না, সেখানে হারবাল চিকিৎসা অনেক ভাল ভাবে কাজ করে। মধুর ও কালোজিরার ঔষধি গুন ও উপকারিতার কারণে এই চিকিৎসার প্রসার দিন দিন বাড়ছে।

প্রায় সব রান্নাঘরেই মেথি দেখতে পাওয়া যায়, এর গুণও অনেক। ফোড়নের সময় সামান্য মেথি, খাবারের স্বাদ-গন্ধ বদলে দেয়। তবে যারা ডায়াবেটিস বা পরিপাক সম্পর্কিত সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য এই মেথি রামবানের কাজ করে। কিন্তু কখন এই মেথির দানা আপনার শরীরের জন্য সর্বাধিক উপযোগী তা জানাটা খুবই জরুরি।


Download Link

ডায়াবেটিসের রোগীদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড়ো সমস্যা হল, এই রোগ শরীরের অন্যান্য অঙ্গকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। ব্লাড সুগার (Methi For Blood Sugar) নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে মেথি রামবানের কাজ করে, সেই সঙ্গে তা শরীরে ইনসুলিন (Insulin) তৈরিতে সাহায্য করে। আপনার মাথা ভর্তি খুশকি, মেথির (Health Benefits Of Fenugreek Seeds) সাহায্যে তার হাত থেকে সহজেই রেহাই পেতে পারেন। ব্রণর সমস্যা বা ঋতুস্রাবের সময় পেটে ব্যথা, মেথির সাহায্যে সহজেই হতে পারেন লাভবান।

সমস্ত খাবারের মধ্যে, প্রাতঃরাশকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধরা হয়। ফলে সকাল বেলা পুষ্টিকর উপাদানই জমিয়ে খাওয়া উচিত। তবে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই, কোনওরকমে তাড়াতাড়ি ব্রেকফাস্ট বানিয়ে কিছু একটা খেয়ে ফেলা হয় তাড়াহুড়োতে। কলা এমনই একটি ফল যা প্রাতঃরাশে প্রায় অনিবার্য। কলা কোষ্ঠকাঠিন্য, অম্বল এবং আলসার হ্রাস করে এবং শরীর ঠাণ্ডা করে। কলাতে আয়রনের পরিমাণও বেশি যা হিমোগ্লোবিন উত্পাদন বাড়ায় এবং রক্তাল্পতা নিরাময়ে সাহায্য করে। তবে কলা খালি পেটে খাওয়া নিয়ে প্রচুর তর্ক রয়েছে।

“কলা পটাসিয়াম, ফাইবার এবং ম্যাগনেসিয়ামের উত্স যা আপনার দেহের বিভিন্ন পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে। এটি শক্তি বাড়ায় এবং ক্ষিদে হ্রাস করে। প্রতিদিন কলা অবশ্যই খাওয়া উচিত, ” বলেন পুষ্টিবিদ ডাঃ শিল্পা অরোরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের মতে, একটি সঠিক গুণমানের কলাতে মাত্র ৮৯ ক্যালোরি রয়েছে। এতে ম্যাঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ভিটামিন বি৬ রয়েছে এবং কলায় জলের পরিমাণও বেশি ফলে কলা আপনাকে হাইড্রেটেড রাখতে সহায়তা করে।

এই অ্যাপ থেকে এসব জানার পাশাপাশি ওজন বাড়ানোর ও কমানোর উপায়, চিকগুনিয়া, ডায়াবেটিস চিকিৎসা ও খাদ্য তালিকা, হার্টের প্রবলেম, ব্রনের দাগ ও গর্ত দূর করার উপায়, কোষ্ঠকাঠিন্য বা পাইলস বা অর্শ দূরীকরন, পাতলা পায়খানা, জরায়ু ক্যান্সার, চুলকানি বা একজিমা, হেপাটাইটিস বি, এইডস, মৃগী রোগ, জরায়ু ক্যান্সার, ত্বকের যত্ন, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া, কোলেস্টেরল, কৃমি রোগ, প্রাথমিক চিকিৎসা ও সকল রোগের বা কোন রোগের কি ঔষধ সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

This app provides ‘sastho bidhi’ or a daily health guide for you. If you are interested, you may install the app.

অ্যাপ লিংকঃ
Download Link

সহজে যেকোন পেনড্রাইভকে বুটেবল করে ফেলুন


হ্যালো বন্ধুরা, আপনাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা জানে পেনড্রাইভ বুটাবলে সম্পর্কে, কিন্তু কিভাবে তা করে সেটা জানে না। তাদের জন্যই আজকের এই টিউন টি। তো চলুন আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।

আজকের এই টিউনে আমি মূলত দেখাবো উবুন্টু তে কিভাবে পেনড্রাইভ বুটাবলে করতে হয়। কিন্তু যারা আপনারা উইন্ডোস ব্যবহার করেন তাদের জন্য আমি একটি সফটওয়্যার এর লিংক দিতেছি। যার মাধ্যমে সহজেই পেনড্রাইভ বুটাবলে করতে পারবেন.। আমি বর্তমানে উবুন্টু ব্যবহার করি তাই উইন্ডোসে কিভাবে করতে হয় দেখাতে পারতেছিনা। এখানে ক্লিক করে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন তারপর ইনস্টল করে ব্যবহার করতে পারবেন। উবুন্টু আর উইন্ডোসে পেনড্রাইভ বুটেবল করা অনেকটা একই তাই কষ্ট করে পুরো টিউনটি পড়ুন তাহলে উইন্ডোসে ও পেনড্রাইভ বুটেবল করতে পারবেন।

উবুন্টুতে পেনড্রাইভ বুটেবল করার নিয়ম.

উবুন্টুতে পেনড্রাইভ বুটেবল করার জন্য একটি সফটওয়্যার লাগবে। সফটওয়্যারটি সহজেই ডাউনলোড করার জন্য প্রথমে আপনারা উবুন্টুর টার্মিনালটি চালু করুন। তারপর টাইপ করুন sudo apt - get install gnome - disk - utility। এটি লেখার পর এন্টার দিন। তারপর আপনার কাছে আপনার পাসওয়ার্ডটি চাইবে সেটি দিয়ে আবার এন্টার দিন। তাহলে সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড হয় শুরু করবে। সফটওয়্যারটি ডাউনলোড হয়ে গেলে উবুন্টুর বাম সাইড এ থাকা show applications বাটনে ক্লিক করুন। এখানে আপনার কম্পিউটার এ ইনস্টল থাকা সব গুলো সফটওয়্যার দেখাবে. তারপর সার্চ বারে টাইপ করুন disks তাহলে আপনার সামনে disks নাম একটি সফটওয়্যার শো হবে। সেই সফটওয়্যার ক্লিক করে ওপেন করুন। ওপেন হওয়ার পর নিচের মতো একটি পেজ দেখতে পাবেন।

তারপর আপনার পেনড্রাইভটি কম্পিউটার এর সাথে কানেক্ট করুন। সঠিকভাবে পেনড্রাইভটি কানেক্ট হলে পাশে থাকা ড্রাইভ লিস্টে দেখতে পাবেন। যদি দেখতে পান তাহলে তার উপর ক্লিক করুন। পেনড্রাইভটি বুটেবল করার আগে অবশ্যই পেন্ড্রাইভে যদি কোনো গুরুত্বপূর্ণ ডাটা থাকে তাহলে তা অন্য কোথাও সরিয়ে নিন। কারণ যখন পেনড্রাইভটি বুটেবল করা হবে তখন তা ফরমেট করে ফেলবে। ক্লিক করার পর নিচের মতো একটি পেজ ওপেন হবে।

উপরে থাকা থ্রী ডট বাটনে ক্লিক করুন. তারপর আপনার সামনে কিছু অপসন আসবে। সেখান থেকে Restore Disk Image বাটনে ক্লিক করুন। তারপর আবার নিচের মতো একটি পপআপ আসবে।

এখানে থাকা none বাটনে ক্লিক করুন। তারপর আপনার ওস এর.iso ফাইল টি সিলেক্ট করেন দিন। আপনার কম্পিউটারে যদি iso ফাইল না থাকে তাহলে গুগল গিয়ে যে অপারেটিং সিস্টেম এর জন্য বুটেবল করতে চান সেটির iso ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড হওয়ার পরে সেটি সিলেক্ট করে দিন। তারপর start restoring বাটনে ক্লিক করুন। তারপর আরেকটি পপআপ আসবে।

এখানে থাকা Restore বাটনে ক্লিক করুন। আপনার কাছে আপনার পাসওয়ার্ডটি চাইবে সেটি দিন। তাহলে দেখতে পাবেন আপনার পেনড্রাইভটি বুটেবল হওয়া শুরু হয়ে গেছে। আপনার পেনড্রাইভ টি বুটেবল হওয়া সম্পন্ন হলে যেভাবে সিডি দিয়ে অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ দিতেন সেভাবে পেনড্রাইভ দিয়েও দিতে পারবেন।


তো আজকের জন্য এই পর্যন্ত। পরবর্তী অন্য কোনো টিউন এ আবার দেখা হবে।