Sunday, 5 March 2017

এবার আপনার Router থেকে USER লিমিট করে দিন, আর সান্তিতে ইন্টারনেট চালান।

আসসালামুয়ালাইকুম,

সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালই আছেন,

আমি আলহুমদুলিল্লাহ সব সময় ভালোর দলেই থাকি, Internet Router ব্যবহার করেন না এমন মানুষ নাই বললেই চলে।

আজ আপনাদের জন্য নতুন টিউটোরিয়াল কিভাবে আপনারা wifi Router এর ইউজার লিমিট করবে 

ধরুন আপনি চাচ্ছেন আপনার রাউটার ৫ জন এর বেশি ব্যবহার করবে না  আপনি আপনার বাসায় অথবা ক্লাব এ ওয়াইফাই রাউটার ফ্রি করে দিয়েছেন

কিন্তু ১০জন এর বেশি কেউ ব্যবহার করতে পারবে না যদি এমনটা চান তাহলে এই টিউনটি আপনার জন্য।
  • আগে কিছু কথা বলে রাখি আপনি এটা করলে।
  •  
  • ১. আপনি ১০ জন এর জন্য লিমিট করে থাকলে এর ভিতরে যারা যারা আগে কানেক্ট করবে তারাই শুধুমাত্র ইউজ করতে পারবে।
  •  
  •  প্রতিটি রাইটারের আইপি এড্র্ররেস আলাদা আলাদা
  •  
  •  টিপিলিংক এর আইপি 192.168.0.1
  •  
  • টেনডা এর আইপি 192.168.1.1
  •  
  • তাছাড়াও ভিবিন্ন রাউটারে ভিবিন্ন আইপি এটা যদি আপনি বের করতে চান ?? তাহলে রাউটাররের অপরপিঠে দেখুন।
  •  
  • এই সেটিং টা আপনি ইচ্ছা মতো ইউজার সেট করতে পারেন সুধু সংখা টা দেখিয়ে দিলেই হবে।
  •  
  • এটা করার পরে আপনার Router  রিস্টার্ট হতে পারে এটাতে ভয় পাবার কিছু নাই।
এবার আপনাদের জন্য টিউটোরিয়াল দেখে শিখার পালা চলুন শিখে ফেলি

এখন টিউটোরিয়াল ভিডিও দেখুন টিউন এর পাতায়



আপনাদের যদি কোন কিছু বলার থাকে বা জানার দরকার হয় তাহলে টিউন এর টিউমেন্ট বক্স এ টিউমেন্ট করুন

অথবা আমার ফেসবুক পেজএ ইনবক্স করুন,

আজ এই পর্যন্তই সবাই ভাল থাকুন, আবার আসবো নতুন কিছু নিয়ে, আল্লাহ হাফেজ।

Saturday, 4 March 2017

নামাজ আদায় করার সটিক নিয়ম জেনে নিন [Must See]

আসসালামু আলাইকুম,

আজকে নামাজ কিভাবে আদায় করবেন সেটা নিয়ে এসেছি

তাহলে এখন আজকের টিউনে আসি নামাজ আদায় করার নিয়ম।

১.জানামজের দোয়াঃ
 

 অযু পরে জায়নামাজে দাড়ালে জানামজের দোয়া পরতে হবে।

ِنِّىْ وَجَّهْتُ وَجْهِىَ لِلَّذِىْ فَطَرَالسَّمَوَتِ وَاْلاَرْضَ حَنِيْفَاوَّمَااَنَا مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ

আরবিঃ ইন্নি ওয়াজ্জাহাতু ওজহিয়া লিল্লাযী ফাতারাচ্ছামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানিফাঁও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকীন।

বাংলা অর্থঃ নিশ্চই আমি তাঁহার দিকে মুখ ফিরাইলাম, যিনি আসমান জমিন সৃষ্টি করিয়াছেন। আমি মুশরিকদিগের দলভুক্ত নহি।

২ নামাজের নিয়ত করাঃ
 

নামাজ শুরুর আগে নির্দিষ্ট নামাজের জন্য নিয়ত করা প্রত্যেক নামাজীর উপর আবশ্যক। নিয়তের স্থান হল অন্তর। মুখে উচ্চারণের মাধ্যমে নিয়ত করার প্রয়োজন নেই।

৩ কিবলামুখী হয়ে আল্লাহু আকবার বলে দাঁড়ানোঃ
 

রাসূল সাঃ যখনই নামাজে দাঁড়াতেন, কিবলার দিকে মুখ করে দাঁড়াতেন। তিনি বলেছেন, যখন তুমি নামাজে দাঁড়াবে, তখন পরিপূর্ণরূপে অযু করবে, অতঃপর কিবলামুখী হয়ে আল্লাহ আকবার বলবে।

৪ নাভির নিচে হাত রাখাঃ
 

রাসূলুল্লাহ সাঃ নামাজে দাঁড়ানো অবস্থায় ডান হাত বাম হাতের উপর রেখে নাভির নিচে স্থাপন করতেন।

আবু দাউদ-নাসাঈ নাভির নিচে হাত রাখাটাই ছহীহ হাদীছ দ্বারা সাব্যস্ত। এছাড়া অন্য কোথাও রাখার হাদীছ বিশেষ করে বুকের উপর হাত রাখার হাদীস দুর্বল।

৫ ছানা পাঠ করাঃ
 

রাসূলুল্লাহ সাঃ থেকে ছানা পাঠের বিভিন্ন বাক্য প্রমাণিত আছে।

সাধারণ পাঠকদের সুবিধার্থে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত এবং সহজ দু‘আটি এখানে উল্লেখ করা হল। سُبْحَانَكَ اَلَلهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَك اَسْمُكَ وَتَعَالَى جَدُّكَ وَلاَ إِلَهَ غَيْرُكَ উচ্চারণঃ “সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়াতাবারাকাস্‌মুকা ওয়া তা‘লা যাদ্দুকা ওয়া লাইলাহা গাইরুকা”

অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার প্রশংসা জড়িত পবিত্রতা জ্ঞাপন করছি, তোমার নাম বরকতময়, তোমার মহানত্ব সমুন্নত। আর তুমি ছাড়া প্রকৃত কোন মাবুদ নাই”।

৬ সিজদায় স্থানে দৃষ্টি রাখাঃ
 

নবী সাঃ নামাজ অবস্থায় মাথা সোজা রেখে যমীনের দিকে দৃষ্টি রাখতেন। তাঁর দৃষ্টি সিজদায় স্থান অতিক্রম করতো না।

৭ কিরাত পাঠ করাঃ
 

কিরা‘ত পাঠ করার পূর্বে রাসূল সাঃ নীরবেأعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ উচ্চারণঃ “আউজু বিল্লাহি মিনাশ্‌শায়ত্বানির রাযীম” এবং بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيْمِ উচ্চারণঃ “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম” পাঠ করতেন।

অতঃপর সূরা ফাতিহা পাঠ করতেন। সূরা ফাতিহা পাঠ করা নামাজের রুকন। সূরা ফাতিহা ছাড়া নামাজ হবেনা।
 

৮ মুক্তাদীর জন্য সূরা ফাতিহা পাঠ জরুরী নয়ঃ
 

ইমামের পিছনে মুক্তাদীগণ সূরা ফাতিহা পাঠ করবে না।

কারণ, কুরআনের বানী “কুরআন শরীফ তেলাওয়াত করা হলে তোমরা চুপ থাক। রাসূল সাঃ এর বাণী “ইমামের কিরআতই মুক্তাদির কেরাত।”

মুসলিম সুতরাং মুক্তাদীগণ সূরা ফাতেহা পাঠ করবে না। এখানে একটা কথা বলা প্রয়োজন।

হাদীসের কোথাও একথা নেই যে, মুক্তাদীদের সূরা ফাতেহা পড়তে হবে। হাদীসে আছে সুরা ফাতেহা ছাড়া নামাজ হয় না।

এটি একাকি নামাজ আদাকারী ও ইমামের জন্য খাস।

৯ সূরা ফাতিহা শেষে মুক্তাদীগণ সবাই নিঃশব্দে আমীন বলবেঃ
 

রাসূল রাঃ যখন সূরা ফাতিহা পাঠ শেষ করতেন, তখন অনুচ্চ স্বরে আমীন বলতেন। তিরমিযী, আহমদ, হাকেম

১০ নামাজের প্রথম দু’রাকাতে সূরায়ে ফাতেহার পর অন্য সূরা মিলানো। একাকী নামাজ আদায়কারী ও ইমাম

১১ রুকূ করা প্রসঙ্গঃ
 

কিরা‘আত পাঠ শেষে রাসূল সাঃ আল্লাহ আকবার اَللَّهُ اَكْبَرُ বলে রুকূতে যেতন। বুখারী রুকুতে স্বীয় হাঁটুদ্বয়ের উপর হস-দ্বয় রাখতেন এবং তিনি এজন্য নির্দেশ দিতেন।

বুখারী তিনি কনুই দু‘টোকে পাঁজর দেশ থেকে দূরে রাখতেন। তিনি রুকু অবস্থায় পিঠকে সমান করে প্রসারিত করতেন।

এমন সমান করতেন যে, তাতে পানি ঢেলে দিলেও তা যেন সি’র থাকে।

বুখারী, তিরমিজী, তাবরানী তিনি নামাজে ত্রুটিকারীকে বলেছিলেন, অতঃপর যখন রুকূ করবে, তখন স্বীয় হস্তদ্বয় হাটুদ্বয়ের উপর রাখবে এবং পিঠকে প্রসারিত করে স্থিরভাবে রুকূ করবে।

আহমাদ তিনি পিঠ অপেক্ষা মাথা উঁচু বা নীচু রাখতেন না। বরং তা মাঝামাঝি থাকত। বুখারী, আবু দাউদ
 

রুকুর দু‘আঃ রুকুতে রাসূল সাঃ এই দূ‘আ পাঠ করতেন سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيْمِ উচ্চারণঃ ‘সুবহানা রাব্বীয়াল আযীম’। 

অর্থঃ আমি মহান প্রতিপালকের পবিত্রতা ঘোষণা করছি। এই দূ‘আটি তিনি তিনবার বলতেন। কখনও তিনবারের বেশীও পাঠ করতেন। আহমাদ

১২ রুকূ থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানোঃ
 

অতঃপর রাসূল সাঃ রুকূ হতে সোজা হয়ে দাঁড়াতেন।

তিনি এই দূ‘আ বলতে-বলতে রুকূ হতে মাথা উঠাতেন, سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ উচ্চারণঃ সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ।

অর্থঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করে, আল্লাহ তার কথা শ্রবন করেন।

বুখারী-মুসলিম তিনি যখন রুকূ হতে মাথা উঠাতেন, তখন এমনভাবে সোজা হয়ে দাঁড়াতেন যে, মেরুদন্ডের হাড়গুলো স্ব-স্ব স্থানে ফিরে যেত।

অতঃপর তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় বলতেন, رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ উচ্চারণঃ রাব্বানা লাকাল হাম্‌দ। হে আমার প্রতিপালক! সকল প্রশংসা তোমার জন্য।

১৩ নামাজে রফউল ইয়াদাইন না করাঃ
 

রাফউল ইয়াদাইন অর্থ উভয় হাত উঠানো। নবী সা. এর নামাজে তাকবীরে তাহরীমা ছাড়া অন্য কোথাও রফউল ইয়াদাইন নেই। মর্মার্থ তিরমিযী, নাসায়ী

১৪ সিজদায় প্রসঙ্গঃ
 

অতঃপর রাসূল সাঃ আল্লাহ আকবার বলে সিজদায় যেতেন।

তিনি বলেছেন, কারও নামাজ ততক্ষন পর্যন্ত পূর্ণ হবেনা, যতক্ষন না সে সামিআল্লাহ হুলিমান হামিদাহ বলে সোজা হয়ে দাঁড়াবে অথঃপর আল্লাহ আকবার বলবে,

অতঃপর এমনভাবে সিজদায় করবে যে, তার শরীরের জোড়াগুলো সুসি’রভাবে অবস্থান নেয়। সিজদায় অবস্থায় পার্শ্বদ্বয় থেকে হস’দ্বয় দূরে রাখতেন।

বুখারী, আবু দাউদ
 

নবী সাঃ রুকূ-সিজদায় পূর্ণাঙ্গরূপে ধীরসি’রভাবে আদায় করার নির্দেশ দিতেন।
 

সাজদার দূ‘আঃ সিজদায় অবস্থায় তিনি এই দূ‘আ পাঠ করতেন, سُبْحَانَ رَبِّيَ الاَعْلَى উচ্চারণঃ “সুবহানা রাব্বীয়াল আ‘লা”।

অর্থঃ ‘আমি আমার সুউচ্চ প্রতিপালকের পবিত্রতা বর্ণনা করছি’। তিনি এই দূ‘আটি তিনবার পাঠ করতেন।

অতঃপর নবী সাঃ আল্লাহ আকবার বলে সিজদায় থেকে মাথা উঠাতেন।

তিনি বলেছেন, কোন ব্যক্তির নামাজ ততক্ষন পর্যন্ত পূর্ণ হবেনা, যতক্ষন না এমনভাবে সিজদায় করবে যে, তার দেহের প্রত্যেকটি জোড়া সুস্থিরভাবে অবস্থান নেয়।

দুই সাজদার মাঝখানে বসাঃ প্রথম সিজদায় ও সাজদার তাসবীহ পাঠ করার পর ‘আল্লাহ আকবার’ বলে স্বীয় মস্তক উত্তলন করতেন।


দুই সাজদার মাঝখানে ধীরস্থিরতা অবলম্বন করা ওয়াজিব।

নবী সাঃ দুই সাজদার মধ্যবতী অবস্থায় এমনভাবে স্থিরতা অবলম্ভন করতেন, যার ফলে প্রত্যেক হাড় স্ব স্থানে ফিরে যেত।

আবু দাউদ

দুই সাজদার মাঝখানে দূ‘আঃ দুই সাজদার মধ্যখানে নবী সাঃ এই দূ‘আ পাঠ করতেন,اَللَّهُمَّ اغْفِرْلِىْ وَ ارْحَمْنِى وَ اهْدِنِىْ وَ عَافِنِىْ وارْزُقْنِىْ উচ্চারণঃ ‘আল্লাহুম্মাগফিরলী, ওয়ার হামনী, ওয়াহ্‌দিনী, ওয়া আফিনী ওয়ারযুকনী’


অর্থঃ “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা কর, দয়া কর, হিদায়াত দান কর, মর্যাদা বৃদ্ধি কর এবং জীবিকা দান কর”।

এই দূ‘আ পাঠ করে নবী সাঃ আল্লাহ আকবার বলে দ্বিতীয় সিজদায় যেতেন এবং প্রথম সাজদার মতই দ্বিতীয় সিজদায় তাসবীহ পাঠ করতেন।

অতঃপর আল্লাহ আকবার বলে সিজদায় থেকে মাথা উঠাতেন বুখারী এবং দ্বিতীয় রাকা‘আতের জন্য সোজা দাড়িয়ে যেতেন। আবু দাউদ

১৫ প্রথম তাশা্‌হহুদঃ

নবী সাঃ চার রাকা‘আত বা তিন রাকা‘আত বিশিষ্ট নামাজের প্রথম দুই রাকা‘আত শেষে তাশাহ্‌হুদ পাঠের জন্য ডান পা সোজ করে বাম পায়ের উপর বসতেন।


বুখারী আরেক হাদীসে আছে নামাজের সুন্নাত হলো ডান পা সোজ করে বাম পায়ের উপর বসা।

বুখারী তাশাহহুদের উচ্চারণঃ আত্‌তাহিয়াতু লিল্লাহি ওয়াস্‌ ছালাওয়াতু ওয়াত্বায়্যিবাতু আস্‌সালামু আলাইকা আইয়্যুহান্‌ নাবিউ ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু আস্‌সালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস্‌ সালিহীন আশহাদু আল্লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।

এভাবে তাশাহ্‌হুদ পাঠ করার পর আল্লাহ আকবার বলে চার বা তিন রাকা‘আত বিশিষ্ট নামাজের বাকী নামাজের জন্য দাঁড়াবে।

বাকী নামাজ পূর্বের নিয়মে সমাপ্ত করবে।

১৬ শেষ বৈঠক ও সালাম ফেরানোঃ
 

তাশাহ্‌হুদ পাঠের জন্য শেষ বৈঠকে বসা ওয়াজিব।

বসার নিয়ম হলো ডান পা খাড়া রেখে বাম পায়ের উপর বসা। এভাবে বসে প্রথমে আত্যাহিয়াতু পাঠ শেষে রাসূল সাঃ এর উপর দরূদ সালাত পাঠ করতে হবে।

দরূদের উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহীমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদু ম্মাযীদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা আলা ইবরাহীমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদু ম্মাযীদ।


দরূদ পাঠ শেষে এই দূ‘আ পাঠ করতে হবে, উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি জালামতু নাফসী জুলমান কাছীরাও ওয়ালা ইয়াগফিরুজ্‌ জুনুবা ইল্লা আনতা ফাগফিরলী মাগফিরাতাম মিন ইন্দিকা ওয়ারহামনী ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর্‌ রাহীম।

বুখারী অতঃপর প্রথমে ডান দিকে পরে বাম দিকে সালাম “আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ” বলে ফিরিয়ে নামাজ সমাধা করবে।

এখন থেকে আপনি ও পাবেন ফ্রি ফেসবুক লাইক, গুগল+, টুইটার follower, ইউটিউব views, ওয়েবসাইট ভিজিট।

আসসালামু আলাইকুম।
 
আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি।
 
যদি কোন ভুল হয় ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
 
টিউটরিয়াল অনেক ছোট তাই বেশি কিছু বলবো না কাজের কথায় আসি।
 
আজকে যে সাইট এর সাথে আপনাদের কে পরিচয় করিয়ে দিব তার সাহায্যে আপনি  পাবেন ফ্রি ফেসবুক লাইক, গুগল+, টুইটার follower, ইউটিউব views, ওয়েবসাইট ভিজিট।
 
মোট কথা এক ওয়েব সাইট এ সব কিছু,।
 
প্রথমে এই লিঙ্কটা তে   এখানে ক্লিক করুন
 
তার পর try for free তে ক্লিক করুন
 
তার পর আপনা জিমেইল ও একটা পাসওয়ারড ও কেপচা  দিয়ে রেজি করান
 
 
 তার পর এড নিউ সাইট এ ক্লিক করুন
 
 
তার পর আপনি যা নিতে চান তা সিলেক্ট করুন।
 
এবং আপনি কত crp  দিতে চান তা বসান।এবার সেভ দিন
 
 
 
আপনি লাইক,শেয়ার,সাবস্ক্রাইব,ভিউ ইত্যাদির মাধ্যমে পয়েন্ট আয় করতে পারবেন।
 
তা ছাডাও আপনি পাবেন প্রতিদিন ৫০০ পয়েন্ট
 
 

আসা করি বুঝতে পেরেছেন।

সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন

আর হ্যাঁ সাথেই থাকবেন

Friday, 3 March 2017

খুব সহজে Instagram এ Like, Follower এবং View বাড়ান!

আসা করি সবাই ভাল আছেন।
  • => প্রথমে আপনার android  এর যে কোন একটি Browser ওপেন করবেন
  •  
  • => যেহেতু app টি play store এ নেই তাই আপনাদের Browser দিয়ে Download করতে হবে
  •  
  • => তাহলে search করুন real follower for instagram এবং download করে Install করে নিন
  •  
  • => তা না হলে আমার youtube ভিদিও এর description এ লিংক দেয়া আছে ওখান থেকে Download  করে নিন

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

আমি আপনাদের সাথে যে টিপস টি নিয়ে আলোচনা করলাম তার জন্য আপনাদের নিচের ভিডিও টি অবশ্যই সবটুকু দেখতে হবে।

তা না হলে অনেকেই বলবেন কাজ করছে না আথবা আপনারা অনেকেই খারাপ টিউমেন্ট করবেন।

আর আমি চাই না আপনারা কোন খারাপ টিউমেন্ট করেন।

তাই দয়া করে ভিডিও টি সবটুকু দেখবেন।

তারপর টিউমেন্ট করবেন।




ফ্রী আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করুন আপনার অ্যান্ড্রোয়েড ফোনে

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু

আজ আমি ২য় টিউন নিয়ে হাজির হলাম। আশা করি আজকের টিউনটি আপনাদের কাছে আরো আনেক ভালো লাগবে। চলুন তাহলে শুরু করে দেই।

প্রথমেই বলি এই ট্রিকটা  আমি সংগ্রহ করেছি।

কেউ যদি এর অপব্যবহার করেন তাহলে আমি দায়ি থাকবনা। ফ্রিতে ফেসবুক চালাতে গেলে আপনার ফোনে টাকা/এম্বি জিরো রাখতেই হবে।

আগেই কলে নেই এই সিস্টেমে শুধু মাত্র ব্রাউজ এবং ফটো ডাউনলোড করতে পারবেন।

এটি কোন ধরনের জটিল বিষয় নই।

এজন্য সর্ব প্রথমেই  আপনাকে একটি ইউসি ব্রাউজার ডাউনলোড করতে  হবে।

মিনি ইউসি ব্রাউজার টি ব্যবহার করা যাবে না এটা অফিশিয়াল PLay Store থেকে  UC Browser -Fast Download  এটি ডাউনলোড করে Open করুন।

ডাউনলোড করা না থাকলে নিচ লিংঙ্ক থেকে ডাউনলোড করুন।

Click here to Download

অমি ভিডিও টিউটোরিয়াল এর মাধ্যমে প্রত্যেকটা ধাপ  বুঝিয়ে দিলাম।


  • ১. প্রথমে UC Browser টি Open করুন। তারপরে সেটিংস এ যান
  •  
  • ২. এখন Cloud Boost অপশনে ক্লিক করুন
  •  
  • ৩. এখন সবগুলো অপশন থেকে Unmark করে Ok করুন
  •  
  • ৪. এখন m.Facebook.com এ যান
ইনশাআল্লাহ আশা করি কাজ হয়ে যাবে। আমি এখনও ফ্রি চালাচ্ছি।

টিউনটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে কিন্তু ভুলবেন না, সবাই ভালো থাকুন।

Wednesday, 1 March 2017

উইন্ডোজ 10 প্রফেসনাল আপডেট ভার্সন সাথে এক্টিভেটর 2017

অনেকদিন পর আবার ফিরে এলাম।

নিজে ঝামেলামুক্ত উইন্ডোজ 10 প্রফেসনাল ব্যবহার করি, তাই আপনাদের কেও উইন্ডোজ 10 প্রফেসনাল আপডেট ভাসন দিতে চলে আসলাম।

বাজারে কিনতে পাওয়া উইন্ডোজ এর সিডিতে সাধারণত অনেক আগের ভার্সন দেয়া থাকে।

তাই সিডি ব্যবহারে তেমন নতুন কোনো ফিচার পাবেন না।

তাই সবসময় লেটেস্ট ভার্সন মাইক্রোসফট থেকেই ডাউনলোড করবেন।

এতে উইন্ডোজ এর মধ্যে কোনো ভাইরাস থাকার সম্ভাবনা থাকবে না।

windows 10 pro full

উইন্ডোজ ১০ প্রফেসনাল ডাউনলোড

প্রথমে মাইক্রোসফট এর সার্ভার থেকে উইন্ডোজ 10 প্রফেসনাল ডাউনলোড করে নিন।

পেনড্রাইভ বুটেবল

ইচ্ছা করলে আপনি NERO দিয়ে সিডিতে বুট করে উইন্ডোজ দিতে পারেন অথবা পেনড্রাইভ দিয়ে বুট করতে উইন টু ফ্ল্যাশ ডাউনলোড করে নিন। বুট করা হয়ে গেলে C ড্রাইভ ফরমেট করে উইন্ডোজ দিন।

উইন্ডোজ এক্টিভেট

এবার উইন্ডোজ এক্টিভেট করার পালা।

ভাইরাস মুক্ত KMSPico ডাউনলোড করুন তারপর জিপ ফাইল এক্সট্র্যাক্ট করে KMSPico ইনস্টল করুন।

বাস হয়ে গেল আপনার ফুল ভাসন উইন্ডোজ প্রফেসনাল।

তবে উইন্ডোজ আপডেট দিবেন না, কারণ উইন্ডোজ আপডেট দিলে অনেক সমস্যা করে।

ধন্যবাদ সবাইকে সাথে থাকার জন্য।

এখন থেকে নিয়মিত প্রযুক্তি এবং ফ্রীলান্সিং বিসয়ক টিউন করে যাব ইনশাল্লাহ।

কিভাবে My Computer এর Properties এ আপনার ছবি, মোবাইল নাম্বার ও অন্যান্য information add করবেন (কোন প্রকার সফটওয়্যার ছাড়া)।

আমি আজকে দেখাব কিভাবে My Computer এর Properties এ নিজের ছবি, নাম, মোবাইল নাম্বার  ও অন্যান্য information add করা যায়।


  • নিচের লিংক থেকে Zip Folder টি ডাউনলোড করুন।
ZIP Folder Download Link
  • ফোল্ডারের ভিতরের OEMLogo.bmp ছবির same size (133X133 Pixel) এর আপনার একটি ছবি তৈরি করুন।
  •  
  • ছবিটি System32 (C:\Windows\System32) folder এ রাখুন।
  •  
  • OEMInfo.bat ফাইলটি Notepad দিয়ে open করে নিজের information add করে save করুন।
  •  
  • এরপর OEMInfo.bat ফাইলের ওপর Right button click করে Run as Administartor, mode এ রান 
  • করুন।

  • Command Prompt (CMD) ওপেন করে gpupdate /force কমান্ডটি রান করান।
  •  
  • এখন ডেস্কটপ থেকে My Computer এর Properties দেখুন, ছবি ও  অন্যান্য information add হয়েছে।
Only for advance users:

You can also do this by manually editing the registry file.

1. Click Start, type regedit.exe and press ENTER

2. Navigate to the following location

HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows\CurrentVersion\OEMInformation

Note: If the OEMInformation key is missing, you’ll need to create one manually.

3. Create string values (REG_SZ) and add matching data, as per the table below:
Value name                     DataValue type
Logo      <Path to your logo file>REG_SZ
Manufacturer     <System manufacturer name>REG_SZ
Model      <System Model number>REG_SZ
SupportHours      <Support hours>REG_SZ
SupportPhone     <OEM Support Phone number>REG_SZ
SupportURL      <OEM Support URL>REG_SZ

4. Exit Registry Editor.

5. Run "gpupdate /force"  command from command prompt.

* Note: The logo should be a BMP image file with the dimension of 120×120. Logo is larger than 120×120
 

pixels is scaled to 120×120.