একই সাথে যখন একাধিক কম্পিউটার ব্যবহার করেন তখন কি আলাদা আলাদা কিবোর্ড, মাউস ব্যবহার করে থকেন?
উত্তর হ্যাঁ হয়ে থাকলে এই টিউনটি আপনার জন্য আলাদিনের দৈত্ত হয়ে যেতে পারে কেননা, এখন থেকে আপনি একটি মাত্র মাউস, কিবোর্ড দিয়েই একই সাথে একাধিক পিসি নিয়ন্ত্রন বা ব্যবহার করতে পারবেন।
এ বিষয়ে টেকটিউনসের সুপ্রিম টিউনার ফাহাদ ভাই অনেক আগেই একটি টিউন করেছেন, চাইলে সেটিও এখান থেকে দেখে আসতে পারেন।
এ কাজ করার জন্য প্রথমেই আপনাকে ১.২ মেগাবাইট সাইজের একটি ছোট্ট সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে হবে। ডাউনলোড করতে নিচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন।
কিভাবে ইন্সটল ও সেটআপ করবেন তা জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন।
আর হ্যাঁ ভিডিও দেখার পূর্বে যতগুলো পিসিতে একই মাউস বা কিবোর্ড ব্যবহার করতে চান ততগুলো পিসিতেই উক্ত সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে নিন।
টিউনটি যদি ভাল লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করে অন্যকে জানাতে ভূলবেন না যেন।
আর সেটআপ করতে গিয়ে যদি কোন প্রবলেমে পড়েন তাহলে অবশ্যই টিউনের নিচে টিউমেন্ট করে জানাবেন।
আজ অনেক দিন পর টেকটিউনস এ লিখতে বসলাম। আশা করি সকলে ভাল আছেন।আজ আমি আপনাদের সাথে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেয়ার করবো। আশা করি আমার আজকের টিউন থেকে সকল শ্রেণী, পেশা ও বয়সের লোকজন উপকৃত হবেন। আর আপনাদের উপকার হলে হলেই আমার লেখাটা স্বার্থক হবে। তার হলে আর দেরি না করে শুরু করি।
আমরা সবাই জানি, জন্ম নিবন্ধন ইদানীং কতটা গুরুত্বপূর্ণ।কিন্তু এটা কোথা থেকে কিভাবে সঠিক সনদ আনতে হয় তা হয়তো অনেকেই জানেন না। দুঃখের বিষয় হল, আজও অনেকের ধারণা, ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সাধারণ নাগরিক সনদের মত একটা ফাঁকা ফর্ম এনে বা বাজার থেকে একটি জন্ম সনদ তৈরী করে তাতে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর করিয়ে নিলেই কাজ হয়ে গেল।
আসলে কিন্তু বিষয়টা তা নয়। এই ধারনার কারণে অনেকে নিজের পায়ে নিজেই কুরাল মারছে।অন্যদিকে বিভিন্ন বাজারে কম্পিউটার বা ফটোকপির দোকানে অবৈধ জন্ম সনদ তৈরী হচ্ছে। যা নিচ্ছেন কিছু অবুঝ মানুষ এবং পরবর্তীতে ভুগছেন নানা সমস্যায়।
মনে রাখবেন জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রম এখন পুরাটাই অনলাইনে হয়। এটা বাজার বা কোন কম্পিউটার দোকানে পাওয়া যায় না। যদি পান তাহলে সেটি অবৈধ। জন্ম সনদ নির্দিষ্ট অফিসের নির্দিষ্ট ব্যক্তির নিকট থেকে করাতে হবে।
কিভাবে জন্ম সনদ পাবেনঃ সাধারণত দুইভাবে জন্ম নিবন্ধন করাতে পারেন।
১। সরাসরি অফিসে গিয়ে;
২। অনলাইনের মাধ্যমে বাসায় বসে;
এবার আমরা জানবো জন্ম নিবন্ধনের সর্বশেষ নীতিমালা অনুযায়ী কিভাবে সরাসরি অফিস থেকে একটি বৈধ জন্ম সনদ সংগ্রহ করবেন।
১। সরাসরি অফিসে গিয়েঃ
কোথায় জন্ম সনদ পাবেনঃ
স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেসন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড, বিদেশে বাংলাদেশী দূতাবাস থেকে জন্ম নিবন্ধন করা যায়।
কিভাবে পাবেনঃ
* সর্বপ্রথম আপনি আপনার ইউনিয়ন পরিষদ (বা আপনার পৌরসভা, সিটি কর্পোরেসন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড, বিদেশে বাংলাদেশী দূতাবাস) এ যান।
সেখান থেকে জন্ম নিবন্ধন এর নির্দিষ্ট আবেদন ফরম সংগ্রহ করুন।
(নোটঃ এই ফরম টি আপনি যে কোন ফটোকপির দোকানেও পেতে পারেন। অথবা জন্ম নিবন্ধনের ওয়েবসাইট থেকেও ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
(জন্ম নিবন্ধনের সর্বশেষ নীতিমালা অনুযায়ী ফরম টির এক পৃষ্ঠার স্ক্রিনসট নিচে দেওয়া হল।)
এবার ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করুন। অবশ্যই আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র/স্কুল সার্টিফিকেট/পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি দেখে পূরণ করবেন। মনে রাখবেন, কোন তথ্য ভুল হলে আপনার আবেদনটি মঞ্জুর নাও হতে পারে। বা হলেও তথ্য ভুল হলে পরবর্তীতে মহা বিপদে পড়ে যাবেন। নতুন করে আরেকটি জন্ম সনদ ও করতে পারবেন না। সুতরাং সময় থাকতে সাবধানতা অবলম্বন করুন।নিচের ছবিতে দেখুন কোন ব্যক্তির জন্য কোন কাগজপত্র প্রয়োজন।
ফরমটি পূরণ করার পর আপনার ওয়ার্ডের মেম্বার, এবং চেয়ারম্যান ও সচির স্বাক্ষর করিয়ে আপনার জন্ম নিবন্ধক এর কার্যালয়ে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকার রশিদ বুঝে নিন।উক্ত রশিদে জন্ম সনদ বিতরণের সম্ভাব্য তারিখ উল্লেখ থাকবে।
নির্দিষ্ট দিনে রশিদটি নিয়ে অফিসে চলে যান এবং উক্ত রশিদটি জমা দিয়ে আপনার জন্ম সনদটি বুঝে নিন। এভাবে আপনি সরাসরি অফিস থেকে জন্ম সনদ নিতে পারেন।
(বিঃদ্রঃ জন্ম সনদ গ্রহণের পূর্বে নির্দিষ্ট ফিস+সার্ভিস চার্জ পরিশোধ করতে হবে। ফিসের পরিমাণ জানতে এখানে যেতে পারেন।পূর্বে জন্ম নিবন্ধন করা থাকলে আর নতুন করে জন্ম সনদ করার জন্য আবেদন করবেন না; কারন এটা দন্ডনীয় অপরাধ। জন্ম সনদে ভুল থাকলে তা সংশোধনের জন্য দায়িত্বরত সচিব বা উদ্যোক্তার সাথে কথা বলুন।নির্দিষ্ট পদ্ধতি তে সঠিক ও বৈধ প্রমাণ সাপেক্ষ্যে আপনার জন্ম সনদের ভুল সংশোধন করা যেতে পারে।এজন্য ঢাকায় জন্ম নিবন্ধনের প্রধান কর্যালয়ে আপনার ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে হবে। এ বিষয় নিয়ে আগামীতে টিউন করবো।)
২।অনলাইনের মাধ্যমে বাসায় বসেঃ
এবার আমরা জানবো কিভাবে আপনি বাসায় বসেই অনলাইনের মাধ্যমে জন্ম সনদ করবেন।এই কাজ টি আপনি একটি অ্যাপস ব্যবহার করেও করতে পারবেন। অ্যাপসটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। সাইজঃ 04 মেগাবাইট। অ্যাপস এর মাধ্যমে করলে অ্যাপসটি চালু করে Application লিংকে ক্লিক করুন।(পরবর্তী দুই পদ্ধতি প্রায় একই রকম)
আর কম্পিউটার থেকে করলে এখানে ক্লিক করুন। যে পেজটি আসবে সেখান থেকে ধাপে ধাপে বিভাগ, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড বাছাই করুন। তারপর পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।
আপনার সামনে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন ফরম আসবে। এটি আপনার কাগজপত্র অনুযায়ী পূরণ করুন।
তারপর পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।
এবার যে পাতা টি আসবে সেখানে পূর্বের মত একই তথ্য আপনার কাগজপত্র অনুযায়ী ইংরেজিতে পূরণ করুন। পূরণ করা হয়ে গেলে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।
তাহলে নিচের মত একটিপেজ আসবে।
এই পেজে আপনার দেওয়া সকল তথ্যাদি একত্রিত করে দেখানে হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে সংরক্ষণ বাটনে ক্লিক করুন। আর যদি কোন তথ্য ভুল হয়ে থাকে তবে পেছনে বাটনে ক্লিক করে প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য সঠিকভাবে লিখে সংরক্ষণ বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে নিচের মত একটি পেজ আসবে।
আপনার আবেদন পত্রের নম্বর : 3009/2016/653
এই নাম্বার টি সংরক্ষণ করে রাখুন। পরবর্তীতে এটি প্রয়োজন হতে পারে। এবার Print বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার আবেদন ফরম টি চলে আসবে। ঠিক নিচের মত। এটাকে প্রিন্ট করুন।যা আমরা এতোক্ষণ পূরণ করেছি, তাই এখানে এসেছে। এখন আর কোন তথ্য সংশোধন করা যাবে না।
দ্বিতীয় ধাপঃ
ফরমটি প্রিন্ট করার পর তাতে ছবিতে দেখানে জায়গায় স্বাক্ষর করুন। এবার ফরমটি কে স্ক্যান করে আপনার জন্ম নিবন্ধক এর কার্যালয়ে ইমেইলে বা ফেসবুকে পাঠিয়ে দিন। সাথে দিতে হবে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র, স্কুল সার্টিফিকেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট বা অন্য বৈধ কাগজ পত্র। সব গুলো স্ক্যান একত্রে ইমেইলে পাঠিয়ে দিন। অফিসে গিয়ে জন্ম সনদ করলেও একই কাগজপত্র গুলো জমা দিতে হবে। নিচের ছবিতে দেখুন কার জন্য কোন সনদ দিতে হবে।
ইমেজ
উপরোক্ত নিয়মানুযায়ী নির্দিষ্ট কাগজ পত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ইমেইল করে, তারপর সেখানার দয়িত্বরত ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করুন। তিনি আপনার আবেদন টি মঞ্জুর হলে জন্ম সনদ প্রস্তুত করে আপনাকে ইমেইলে বা কুরিয়ারে/ডাকে পাঠিয়ে দিবেন। আপনি বিকাশ/ডাচবাংলা বা অন্য কোন মাধ্যমে তাঁকে জন্ম নিবন্ধনের নির্দিষ্ট ফিস+সার্ভিস চার্জ পাঠিয়ে দিবেন। এভাবে আপনি ঘরে বসেই সহজেই অনলাইনে আপনার জন্ম সনদ করতে পারেন।
হয়তো ভাবছেন, আপনার এলাকার জন্ম নিবন্ধকের কার্যালয়ের নির্দিষ্ট ব্যক্তির সাথে যোগাযোগের মোবাইল বা ইমেইল নাম্বার কোথায় পাবেন ? এটা এখন খুবই সহজ। বাংলাদেশের জাতীয় তথ্য বাতায়নের নাম নিশ্চই শুনেছেন। এখানে বাংলাদেশের সকল ইউনিয়নের ওয়েব সাইট ঠিকানা পেয়ে যাবেন খুব সহজেই। যা সব সময় আপডেট রাখা হয় সরকারীভাবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের একটা উজ্জল দৃষ্টান্ত এটা। এটা বর্তমানে বিশ্বের সব থেকে বড় ওয়েব সাইট। নিশ্চই বাঙ্গালীদের জন্য এটি অনেক বড় অর্জন।যা হোক এবার দেখুন আপনার ইউনিয়নের ওয়েব সাইটের ঠিকানা কি।
প্রথমে ইংরেজি বর্ণে আপনার ইউনিয়নের নাম লিখুন+up+জেলার নাম+.gov.bd
উদাঃ http://www.barasatup.khulna.gov.bd অর্থাৎ আপনার ইউনিয়নের নামের সাথে ইউপি লিখবেন তারপর সেটি কোন জেলায় অবস্থিত তা লিখবেন তারপর .gov.bd লিখবেন। এভাবে আপনার ইউনিয়নের ওয়েব সাইটের ঠিকানা পেয়ে যাবেন। এবার এই সাইট থেকে আপনি সব কিছু পেয়ে যাবেন। যোগাযোগ এর নাম্বার ছাড়াও আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারবেন এই সাইট থেকে।
এখান বিভাগ বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে নিচের মত একটি পেজ আসবে।
এখান থেকে আপনার বিভাগের উপরে ক্লিক করুন।তাহলে আপনার বিভাগীয় কার্যালয় এর ওয়েব সাইটে চলে যাবেন।এখান থেকে ধারাবাহিকভাবে আপনার জেলা; তারপর উপজেলা এবং সব শেষে ইউনিয়ন সিলেক্ট করে চলে যেতে পারবেন কাঙ্খিত ইউনিয়নের ওয়েব সাইটে।
বুঝতে কোন সমস্যা হলে নিচের ভিডিও টি দেখতে পারেন। ভিডিও টিতে লাইভ একটি জন্ম সনদের জন্য আবেদন করা দেখানো হয়েছে। তারপরে ও কোন সমস্যা বা প্রশ্ন থাকলে টিউমেন্ট করে জানাতে পারেন।আমি উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো, ইনশা আল্লাহ।
ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
এতোক্ষন সাথে থাকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করে আজকের মতে ইতি টানছি। আগামী টিউনে জন্ম নিবন্ধন এর উপর আবারো কোন টিউটোরিয়াল নিয়ে হাজির হবো। সে পর্যন্ত ভাল থাকুন। খোদা হাফেজ।
সবার আগে বলে রাখি যারা যানেন তারা কটুক্তি করবন না প্লিজ।
সবাইকে শুভেচ্ছা।
বিষয় বস্তু দেখে বুঝেই গেছেন কি নিয়ে টিউন করব। অনেক অবাগা আছেন নিজের প্রিয় মোবাইল ফোন টি কে হারিয়ে আফসোস করছেন।
কিন্তু কিছুই করার নাই আপনার কারন আপনার কাছে মোবাইলের প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র নাই বা সংগ্রহে রাখতে পারেন নাই।
এজন্য আইনের আশ্রয়ও নিতে পারছেন না। বর্তমানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ইচ্ছে করলেই আপনার মোবাইলটি খুজে দিতে পারে, পারে বৈকি সফলও হচ্ছে।
আপনি আপনার পছন্দের মোবাইলটি হারিয়েছেন কিন্তু IMEI নাম্বার জানা নেই তাই অগ্রসর হচ্ছেন না। নিচের দেওয়া ট্রিক্সগুলি লক্ষ করুন পেয়ে যাবেন আপনার IMEI সহ যাবতীয় তথ্য।
আপনি যদি প্লে স্টোর ব্যবহার করেন তাহলে অবশ্যই গুগলের ই-মেইল আইডি ব্যবহার করেছেন। যদি আপনার ই-মেইল এবং পাসওয়ার্ড মনে থাকে তাহলেই কাজটি করতে পারবেন।
২। এবার https://www.google.com/settings/dashboard এই লিংকটি তে যান নিচের চিত্রের ন্যার google Dashboard নামে একটি পেজ পাবেন।
নিচ থেকে এন্ড্রয়েড ট্যাবে ক্লিক করলে আপনি যে ডিভাইসগুলিতে এই ই-মেইল এড্রেসটির মাধ্যমে লগইন করেছেন তার ডিটেইল শো করবে + সবচাইচে মজার জিনিস আপনার মোবাইলের IMEI দেখতে পাবেন।
নিচের চিত্রে দেখেন ঃ
আজ এই পর্যন্ত আর কিছু লিখলাম না ভালো লাগলে টিউমেন্ট করবেন
আমি আবারও বলছি যদি কেউ আগে এই ট্রিক টি জেনে থাকেন তাহলে খারাপ টিউমেন্ট করবেন না প্লিজ।
শেল বস্তুর জন্য মাউস ক্লিক / কীবোর্ড মডিফায়ার সমন্বয়
SHIFT + ডান ক্লিক করুন: বিকল্প কমান্ডগুলি সহ একটি শর্টকাট মেনু প্রদর্শন করেSHIFT + ডাবল ক্লিক করুন: বিকল্প ডিফল্ট কমান্ডটি চালায় (মেনুতে দ্বিতীয় আইটেম)ALT + ডাবল ক্লিক করুন: বৈশিষ্ট্যগুলি প্রদর্শন করেSHIFT + DELETE: রিসাইকেল বিনে এটি স্থাপন না করেই একটি আইটেমটি মুছে ফেলে
সাধারণ কীবোর্ড-শুধুমাত্র কমান্ড
F1: উইন্ডোজ সাহায্য শুরু করুন
F10: মেনু বার বিকল্প সক্রিয় করে
SHIFT + F10 নির্বাচিত আইটেমের জন্য একটি শর্টকাট মেনু খুলুন (এটি একটি বস্তুর ডান ক্লিক করেও একই
CTRL + ESC: স্টার্ট মেনুটি খোলে (একটি আইটেম নির্বাচন করতে ARROW কীগুলি ব্যবহার করুন)
CTRL + ESC বা ESC: স্টার্ট বাটন নির্বাচন করুন (টাস্কবার নির্বাচন করতে TAB টিপুন, বা প্রসঙ্গ মেনুর জন্য SHIFT + F10 চাপুন)
CTRL + SHIFT + ESC: উইন্ডোজ টাস্ক ম্যানেজার খোলে
ALT + নীচে আর্ম: একটি ড্রপ ডাউন তালিকা বাক্স খোলে
ALT + TAB: অন্য চলমান প্রোগ্রামে স্যুইচ করুন (ALT কী ধরে রাখুন এবং তারপর টাস্ক সুইচিং উইন্ডো দেখতে ট্যাব কী টিপুন)
SHIFT: স্বয়ংক্রিয় চালনা বৈশিষ্ট্যের বাইপাস করার জন্য আপনি একটি CD-ROM সন্নিবেশ করার সময় SHIFT কী চাপুন এবং ধরে রাখুন
ALT + SPACE: প্রধান উইন্ডোর সিস্টেম মেনু প্রদর্শন করে (সিস্টেম মেনু থেকে, আপনি পুনরুদ্ধার করতে পারেন, সরাতে পারেন, পুনরায় আকার দিতে পারেন, কমানো, বাড়ান বা উইন্ডো বন্ধ করতে পারেন)
ALT + - (ALT + হাইফেন): একাধিক ডকুমেন্ট ইন্টারফেস (এমডিআই) চাইল্ড উইন্ডোর সিস্টেম মেনুটি প্রদর্শন করে (এমডিআই চাইল্ড উইন্ডোর সিস্টেম মেনু থেকে, আপনি পুনরুদ্ধার করতে পারেন, সরাতে পারেন, পরিবর্তন করুন, ছোট করুন, বড় করুন বা চাইল্ড উইন্ডো বন্ধ করুন)
CTRL + TAB: একাধিক ডকুমেন্ট ইন্টারফেস (MDI) প্রোগ্রামের পরবর্তী চাইল্ড উইন্ডোতে স্যুইচ করুন
ALT + মেনুতে নিম্নরেখাঙ্কিত অক্ষর: মেনু খোলে
ALT + F4: বর্তমান উইন্ডো বন্ধ করে
CTRL + F4: বর্তমান একাধিক ডকুমেন্ট ইন্টারফেস (এমডিআই) উইন্ডো বন্ধ করে
ALT + F6: একই প্রোগ্রামের একাধিক উইন্ডোতে স্যুইচ করুন (উদাহরণস্বরূপ, যখন নোটপ্যাক খুঁজুন ডায়ালগ বক্স প্রদর্শিত হয়, তখন ALT + F6 খুঁজুন ডায়লগ বক্স এবং প্রধান নোটপ্যাড উইন্ডোতে সুইচ করে)
গত দুইটি টিউনে আমি ব্যাকআপ করার দুইটি অপশন সম্বন্ধে আলোচনা করেছিলাম, দেখিয়েছিলাম কিভাবে উইন্ডোজ ১০ ব্যাকআপ করতে হয়।
আজকের টিউনে রিষ্টর করা দেখাবো।উইন্ডোজ ১০ এ ব্যাকআপ করার জন্য দুইটি অপশন রয়েছে, যা গত দুইটি টিউনে দেখিয়েছিলাম,
আজকে সেই দুইটি অপশন এই কিভাবে রিষ্টর করবেন সেটা একটি ছোট ভিডিওতে নিচে দেওয়া আছে।
"ফাইল হিস্ট্রি" অপশন এর জন্য আপনি যে এক্সটারনাল হার্ড ড্রাইভ টি ব্যবহার করেছিলেন, রিষ্টর করার জন্য সেই ড্রাইভ টাই লাগবে।
আর "ব্যাকআপ অ্যান্ড রিষ্টর" অপশন এর ব্যাকআপটি যেখানে সেভ করেছিলেন সেটা কম্পিউটার এর সাথে কানেক্ট রাখতে হবে এবং উইন্ডোজ এর ডিস্ক অথবা রিপেয়ার ডিস্ক থাকতে হবে।
রিপেয়ার ডিস্ক কিভাবে বানাইতে হয় সেটা ভিডিওতে দেখানো হয়েছে। কোন সমস্যা হলে টিউমেন্ট করিয়েন।
আপনার উইন্ডোজ ১০ ব্যাকআপ করুন। (ভিডিও) ঃ টিউন লিঙ্ক
র্যানসমওয়্যার (Ransomware) থেকে রক্ষা পেতে উইন্ডোজের(Windows) পুরোনো সংস্করণগুলোর জন্য একটি প্যাচ ছেড়েছে মাইক্রোসফট(Microsoft)।
উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ সার্ভার ২০০৩(Windows Server 2003) এবং উইন্ডোজ ৮(Windows 8)-এর মতো পুরোনো অপারেটিং সিস্টেমের জন্য মাইক্রাসফট সাপোর্ট (Microsoft Support) বন্ধ রেখেছিল।
এর আগে, যে ত্রুটি কাজে লাগিয়ে র্যানসমওয়্যার(Ransomware) ঘটানো হয়েছে মাইক্রোসফট প্যাচ(Microsoft Patch) ছেড়েছিল।
কিন্তু এই সমাধানটি ছাড়া হয়েছিল কেবল নতুন অপারেটিং সিস্টেমের জন্য।
আর তাই পুরোনো সিস্টেম ব্যবহারকারী এবং যারা নতুন সিস্টেমগুলো আপডেট করেনি কেবল তারাই মূলত ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
একটি কম্পিউটার আক্রান্ত হলে সেটি তখন লোকাল নেটওয়র্কে থাকা অন্যান্য যন্ত্রে ছড়ানোর পাশাপাশি ইন্টারনেটেও ছড়িয়ে পড়ে।
যেসব কম্পিউটারে সার্ভার ম্যাসেজ(Server Message) বা ক্রটির বা প্যাচটি ইনস্টল করা হয়নি, র্যানসমওয়্যার(Ransomware) বিশেষভাবে শুধু সেগুলোই খুঁজে বের করে।
যারা এই আক্রমণের শিকার হয়েছে।
এই ঝুঁকির হাত থেকে বাচাঁর জন্য মাইক্রাসফট সিস্টেমের(Microsoft System) ভার্সন ভিত্তিক প্যাচ ছেড়েছে যা ডাউনলোড (Download) করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন।